ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২৪ দিনে ১৮৫ যানবাহনে আগুন: ফায়ার সার্ভিস

গত ২৪ দিনে ১৮৫টি যানবাহনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর থেকে গত ২৪ দিনে ১৮৫টি যানবাহনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে ১১৮টি যাত্রীবাহী বাস। এছাড়া ১৫টি স্থাপনায়ও আগুন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৮ অক্টোবর থেকে গতকাল সোমবার (২০ নভেম্বর) পর্যন্ত এসব যানবাহন ও স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। আর জেলা হিসেবে বেশি আগুন দেওয়া হয়েছে গাজীপুরে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, গত ২৪ দিনে সারাদেশে মোট ১৯৭টি (যানবাহন ও স্থাপনাসহ) অগ্নিনাশকতার খবর পেয়েছে তারা। এর মধ্যে ২৮ অক্টোবর ২৯টি, ২৯ অক্টোবর ১৯টি, ৩১ অক্টোবর ১২টি, ১ নভেম্বর ১৪টি, ২ নভেম্বর সাতটি, ৪ নভেম্বর ছয়টি, ৫ নভেম্বর ১৩টি, ৬ নভেম্বর ১৩টি, ৭ নভেম্বর দুইটি, ৮ নভেম্বর নয়টি, ৯ নভেম্বর সাতটি, ১০ নভেম্র দুইটি, ১১ নভেম্বর সাতটি, ১২ নভেম্বর সাতটি, ১৩ নভেম্বর আটটি, ১৪ নভেম্বর চারটি, ১৫ নভেম্বর ৬টি, ১৬ নভেম্বর সাতটি, ১৮ নভেম্বর ছয়টি, ১৯ নভেম্বর ১৩টি, ২০ নভেম্বর ছয়টি আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

যানবাহনের মধ্যে ১১৮টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, আটটি মোটরসাইকেল, দুটি প্রাইভেটকার, তিনটি মাইক্রোবাস, তিনটি পিকআপ, তিনটি অটোরিকশা, দুটি ট্রেন, একটি নছিমন, তিনটি লেগুনা, ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি, পুলিশের একটি গাড়ি, একটি অ্যাম্বুলেন্স, বিএনপির পাঁচটি অফিস, আওয়ামী লীগের একটি অফিস, একটি পুলিশ বক্স, একটি কাউন্সিলর অফিস, দুটি বিদ্যুৎ অফিস, একটি বাস কাউন্টার, দুটি বাণিজ্যিক শোরুমসহ আরও দুটি স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা নগরে ৯৫টি, ঢাকা বিভাগে ৩৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২২টি, রাজশাহী বিভাগে ২৪টি, বরিশাল বিভাগে সাতটি, রংপুর বিভাগে সাতটি, খুলনা বিভাগে দুটি, ময়মনসিংহ বিভাগে দুটি, সিলেট বিভাগে একটি অগ্নি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ঢাকার মিরপুরে ১৭টি, গুলিস্তানে নয়টি, নয়াপল্টন-কাকরাইল এলাকায় সাতটি, খিলগাঁও-মুগদা এলাকায় সাতটি, পোস্তাগোলা-যাত্রাবাড়ী এলাকায় সাতটি, মতিঝিল-আরামবাগ এলাকায় পাঁচটি, মোহাম্মদপুর চারটি, বারিধারায় চারটি আগুনের ঘটনা ঘটে।

জেলা হিসেবে গাজীপুরে ১৬টি, চট্টগ্রামে ১৪টি, বগুড়া ১৩টি, নারায়ণগঞ্জ ছয়টি, মানিকগঞ্জে চারটি, ফরিদপুরে চারটি, লালমনিরহাট চারটি, নাটোরে চারটি আগুনের খবর পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এসব আগুন নেভাতে ৩৪১টি ইউনিট ও এক হাজার ৮৮৮ জন কর্মী কাজ করেন বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

 

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক নববাণী পত্রিকার জন্য সকল জেলা উপজেলায় সংবাদ কর্মী আবশ্যকঃ- আগ্রহীরা আজই আবেদন করুন। মেইল: 24nababani@gmail.com
জনপ্রিয় সংবাদ

৫৮২ কোটি টাকার সার আ’ত্ম’সা’ৎ মা’ম’লা’য় হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত

২৪ দিনে ১৮৫ যানবাহনে আগুন: ফায়ার সার্ভিস

আপডেট সময় ০৬:১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর থেকে গত ২৪ দিনে ১৮৫টি যানবাহনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে ১১৮টি যাত্রীবাহী বাস। এছাড়া ১৫টি স্থাপনায়ও আগুন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৮ অক্টোবর থেকে গতকাল সোমবার (২০ নভেম্বর) পর্যন্ত এসব যানবাহন ও স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। আর জেলা হিসেবে বেশি আগুন দেওয়া হয়েছে গাজীপুরে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, গত ২৪ দিনে সারাদেশে মোট ১৯৭টি (যানবাহন ও স্থাপনাসহ) অগ্নিনাশকতার খবর পেয়েছে তারা। এর মধ্যে ২৮ অক্টোবর ২৯টি, ২৯ অক্টোবর ১৯টি, ৩১ অক্টোবর ১২টি, ১ নভেম্বর ১৪টি, ২ নভেম্বর সাতটি, ৪ নভেম্বর ছয়টি, ৫ নভেম্বর ১৩টি, ৬ নভেম্বর ১৩টি, ৭ নভেম্বর দুইটি, ৮ নভেম্বর নয়টি, ৯ নভেম্বর সাতটি, ১০ নভেম্র দুইটি, ১১ নভেম্বর সাতটি, ১২ নভেম্বর সাতটি, ১৩ নভেম্বর আটটি, ১৪ নভেম্বর চারটি, ১৫ নভেম্বর ৬টি, ১৬ নভেম্বর সাতটি, ১৮ নভেম্বর ছয়টি, ১৯ নভেম্বর ১৩টি, ২০ নভেম্বর ছয়টি আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

যানবাহনের মধ্যে ১১৮টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, আটটি মোটরসাইকেল, দুটি প্রাইভেটকার, তিনটি মাইক্রোবাস, তিনটি পিকআপ, তিনটি অটোরিকশা, দুটি ট্রেন, একটি নছিমন, তিনটি লেগুনা, ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি, পুলিশের একটি গাড়ি, একটি অ্যাম্বুলেন্স, বিএনপির পাঁচটি অফিস, আওয়ামী লীগের একটি অফিস, একটি পুলিশ বক্স, একটি কাউন্সিলর অফিস, দুটি বিদ্যুৎ অফিস, একটি বাস কাউন্টার, দুটি বাণিজ্যিক শোরুমসহ আরও দুটি স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা নগরে ৯৫টি, ঢাকা বিভাগে ৩৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২২টি, রাজশাহী বিভাগে ২৪টি, বরিশাল বিভাগে সাতটি, রংপুর বিভাগে সাতটি, খুলনা বিভাগে দুটি, ময়মনসিংহ বিভাগে দুটি, সিলেট বিভাগে একটি অগ্নি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ঢাকার মিরপুরে ১৭টি, গুলিস্তানে নয়টি, নয়াপল্টন-কাকরাইল এলাকায় সাতটি, খিলগাঁও-মুগদা এলাকায় সাতটি, পোস্তাগোলা-যাত্রাবাড়ী এলাকায় সাতটি, মতিঝিল-আরামবাগ এলাকায় পাঁচটি, মোহাম্মদপুর চারটি, বারিধারায় চারটি আগুনের ঘটনা ঘটে।

জেলা হিসেবে গাজীপুরে ১৬টি, চট্টগ্রামে ১৪টি, বগুড়া ১৩টি, নারায়ণগঞ্জ ছয়টি, মানিকগঞ্জে চারটি, ফরিদপুরে চারটি, লালমনিরহাট চারটি, নাটোরে চারটি আগুনের খবর পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এসব আগুন নেভাতে ৩৪১টি ইউনিট ও এক হাজার ৮৮৮ জন কর্মী কাজ করেন বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।