ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০২৩ সালের পর রাজশাহী বিভাগে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না ঃ বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার

ফাইল ছবি।

রাজশাহী বিভাগে ৩৩ হাজার পরিবার খুঁজে বের করা হয়েছে, যাদের জমি নাই, গৃহ নাই। ইতিমধ্যে ১০টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এ বিভাগের ২টি জেলা ও ৩৩টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হবে এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর রাজশাহী বিভাগের একটি জেলাও কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না

আজ (০৩ অক্টোবর) রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বসতি দিবস, ২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্, এনডিসি এসব কথা বলেন। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) এ আলোচনা সভা আয়োজন করে।

কেউ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না- এ সাহস বিশ্বের শুধু বাংলাদেশই দেখিয়েছে উল্লেখ করে জি এস এম জাফরউল্লাহ্ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু এ সাহসই দেখাননি, বরং তিনি এটা করে দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু মানুষের মৌলিক প্রয়োজনগুলো মিটিয়ে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। সেই পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।

বিশ্ব বসতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অপরিকল্পিতভাবে যেখানে-সেখানে কৃষি জমি নষ্ট করে বসতি স্থাপন করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের কারণে আমাদের কৃষি জমি হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে একসময় খাদ্যের সঙ্কট দেখা দেবে। তাই একটি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে টেকসই বসতি স্থাপন করলে একদিকে আবাদি জমি রক্ষা পাবে আবার অন্যদিকে আমরা আর্থিকভাবে নিরাপদ থাকব।

তিনি বলেন, সরকার এখন একই ভবনে সকল বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ের অফিস করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে এক দিকে যেমন জমি বাঁচবে, অন্যদিকে সেবা গ্রহীতারাও এক জায়গা থেকেই সব সেবা নিতে পারবে।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (গণপূর্ত জোন) মোঃ মিছবাহ উদ্দিন আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন।

আরডিএ’র চেয়ারম্যান মোঃ আনওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: শরিফুল হক, আরডিএ’র সদস্য প্রফেসর মো: তানভিরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি আরডিএ চত্বর থেকে বের হয়ে শাহ্ মখদুম থানা মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আরডিএ ভবনে গিয়ে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার দিবসটি উদ্যাপিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি’।

 

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে – ডেপুটি স্পীকার

২০২৩ সালের পর রাজশাহী বিভাগে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না ঃ বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

রাজশাহী বিভাগে ৩৩ হাজার পরিবার খুঁজে বের করা হয়েছে, যাদের জমি নাই, গৃহ নাই। ইতিমধ্যে ১০টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এ বিভাগের ২টি জেলা ও ৩৩টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হবে এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর রাজশাহী বিভাগের একটি জেলাও কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না

আজ (০৩ অক্টোবর) রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বসতি দিবস, ২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্, এনডিসি এসব কথা বলেন। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) এ আলোচনা সভা আয়োজন করে।

কেউ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না- এ সাহস বিশ্বের শুধু বাংলাদেশই দেখিয়েছে উল্লেখ করে জি এস এম জাফরউল্লাহ্ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু এ সাহসই দেখাননি, বরং তিনি এটা করে দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু মানুষের মৌলিক প্রয়োজনগুলো মিটিয়ে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। সেই পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।

বিশ্ব বসতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অপরিকল্পিতভাবে যেখানে-সেখানে কৃষি জমি নষ্ট করে বসতি স্থাপন করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের কারণে আমাদের কৃষি জমি হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে একসময় খাদ্যের সঙ্কট দেখা দেবে। তাই একটি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে টেকসই বসতি স্থাপন করলে একদিকে আবাদি জমি রক্ষা পাবে আবার অন্যদিকে আমরা আর্থিকভাবে নিরাপদ থাকব।

তিনি বলেন, সরকার এখন একই ভবনে সকল বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ের অফিস করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে এক দিকে যেমন জমি বাঁচবে, অন্যদিকে সেবা গ্রহীতারাও এক জায়গা থেকেই সব সেবা নিতে পারবে।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (গণপূর্ত জোন) মোঃ মিছবাহ উদ্দিন আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন।

আরডিএ’র চেয়ারম্যান মোঃ আনওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: শরিফুল হক, আরডিএ’র সদস্য প্রফেসর মো: তানভিরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি আরডিএ চত্বর থেকে বের হয়ে শাহ্ মখদুম থানা মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আরডিএ ভবনে গিয়ে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার দিবসটি উদ্যাপিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি’।