ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে সিবিএমপি বাস্তবায়ন এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তথ্য আদান-প্রদানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে।

সীমান্তে দিনে কোনো গুলির ঘটনা ঘটে না গুলির সব ঘটনাই ঘটে রাতের আঁধারে: বিএসএফ

ফাইল ছবি।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন সীমান্তে দিনে কোনো গুলির ঘটনা ঘটে না: গুলির সব ঘটনাই ঘটে রাতের আঁধারে। আর হতাহতরা সবাই চোরাকারবারি বলে মন্তব্য করেছেন বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ ও বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের পর যৌথ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে সীমান্তে উভয় দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে অধিক সতর্কতামূলক ও কার্যকরী উদ্যোগ হিসেবে সীমান্তে যৌথ টহল জোরদার, বিশেষ করে রাত্রিকালীন টহল পরিচালনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।

মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং স্বর্ণসহ অন্যান্য চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ, বিভিন্ন সশস্ত্র উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী সংগঠন বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগের নানা বিষয় ওঠে আসে আলোচনায়।

বৈঠকে সীমান্তে আক্রমণ বা হামলার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তে সমন্বিত যৌথ টহল পরিচালনাসহ অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারকরণ, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মাঝে আন্তর্জাতিক সীমানা আইনের বিধি সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা-সিবিএমপির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্যসামগ্রী পাচার বন্ধ করা এবং সীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে সিবিএমপি বাস্তবায়ন এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তথ্য আদান-প্রদানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে বিভাগীয় প্রধানদের সাথে রাসিক মেয়রের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে সিবিএমপি বাস্তবায়ন এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তথ্য আদান-প্রদানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে।

সীমান্তে দিনে কোনো গুলির ঘটনা ঘটে না গুলির সব ঘটনাই ঘটে রাতের আঁধারে: বিএসএফ

আপডেট সময় ০৩:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন সীমান্তে দিনে কোনো গুলির ঘটনা ঘটে না: গুলির সব ঘটনাই ঘটে রাতের আঁধারে। আর হতাহতরা সবাই চোরাকারবারি বলে মন্তব্য করেছেন বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ ও বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের পর যৌথ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিং নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে সীমান্তে উভয় দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে অধিক সতর্কতামূলক ও কার্যকরী উদ্যোগ হিসেবে সীমান্তে যৌথ টহল জোরদার, বিশেষ করে রাত্রিকালীন টহল পরিচালনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।

মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং স্বর্ণসহ অন্যান্য চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ, বিভিন্ন সশস্ত্র উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী সংগঠন বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগের নানা বিষয় ওঠে আসে আলোচনায়।

বৈঠকে সীমান্তে আক্রমণ বা হামলার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তে সমন্বিত যৌথ টহল পরিচালনাসহ অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারকরণ, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মাঝে আন্তর্জাতিক সীমানা আইনের বিধি সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা-সিবিএমপির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্যসামগ্রী পাচার বন্ধ করা এবং সীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে সিবিএমপি বাস্তবায়ন এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তথ্য আদান-প্রদানে দুপক্ষ সম্মত হয়েছে।