ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শরীক জামায়াত ছাড়াই রাজশাহীতে শক্তির মহড়ার প্রস্তুতি বিএনপির

ফাইল ছবি।

আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। এ সমাবেশের মাধ্যমে রাজশাহী অঞ্চলের রাজনীতির মাঠে বিএনপি নিজেদের একক শক্তি প্রদর্শনীর জানান দিতে চায়। সে কারণে এই বিভাগীয় মহাসমাবেশে জামায়াতসহ তাদের শরীক দলগুলোর কোনো সহযোগিতাও নেবে না দলটি বলে জানিয়েছেন দলটির স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশকে সামনে রেখে প্রতিদিনই থাকছে ছোট-বড় নানা কর্মসূচি। কিছুদিন পরপরই কেন্দ্রীয় নেতারাও আসছেন রাজশাহীতে। লক্ষ্য বিভাগীয় মহাসমাবেশে বিপুল জনসমাগম করা। বিএনপি নেতাদের আশঙ্কা, মহাসমাবেশের শেষ দিকে এসে প্রতিবন্ধকতা বাড়তে পারে। তাই আঞ্চলিকভাবে শক্তি ও সামর্থ্য বেশি- এমন বিবেচনায় ঢাকার ঠিক আগের মহাসমাবেশটিই রাজশাহীতে করার কৌশল নিয়েছেন তারা।
বিভাগীয় সমাবেশের সমন্বয়কারী শাহীন শওকত বলেন, ‘এটি বিএনপির সমাবেশ। এ অঞ্চলে বিএনপি অনেক বেশি শক্তিশালী। জনসমর্থন, কর্মী-সব কিছু মিলে বিএনপির অন্য কোনো দলের প্রয়োজন নেই। তারা এই সমাবেশে জামায়াতের কোনো সহযোগিতা নিচ্ছে না।’
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘ঢাকার সমাবেশের আগে সরকার কঠোর অবস্থানে যেতে পারে। আরও কঠোর হয়ে নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও নির্যাতনের কৌশল নিতে পারে। এ কারণেই শক্তি-সামর্থ্যরে বিচারে রাজশাহীতে তারা অনেক বেশি শক্তিশালী। এ কারণে ঢাকার আগের সমাবেশটি তারা এখানে করছেন। তবে দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী হলেও এই মহাসমাবেশে জামায়াতের কোনো সহযোগিতাও না নেওয়ার কথা জানান বিএনপি নেতারা।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘তারা জামায়াত বা জোটের শরীক দলগুলোর কোনো সহযোগিতা নিচ্ছেন না। তাদের দাওয়াতও দিচ্ছেন না। তবে উন্মুক্ত সমাবেশ। এখানে যে কেউ আসতে পারেন। আগের সবকটি ছাড়িয়ে বৃহৎ মহাসমাবেশ হবে রাজশাহীতে। ’
তিনি আরো বলেন, ‘এ অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির পক্ষে। সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। এ কারণে মানুষ এই সমাবেশে উপচে পড়বে। সরকার চাইলেও আটকে রাখতে পারবে না।’
এদিকে, সমাবেশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতারা ইতি মধ্যে বেশ কয়েকবার   গণসমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এছাড়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনের নেতৃত্বে মাঠ পরিদর্শন করেন রাজশাহীর বিএনপি নেতারা।
এ সময় বিএনপি নেতা শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নির্দেশে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক সহযোগিতা এবং পরামর্শে এ সমাবেশ হতে যাচ্ছে। সমাবেশে সরকার পতনের ডাক দেওয়া হবে। তাই রাজশাহীর গণসমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী ও মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনসার আলী, জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু প্রমুখ।
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

শরীক জামায়াত ছাড়াই রাজশাহীতে শক্তির মহড়ার প্রস্তুতি বিএনপির

আপডেট সময় ০২:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২
আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। এ সমাবেশের মাধ্যমে রাজশাহী অঞ্চলের রাজনীতির মাঠে বিএনপি নিজেদের একক শক্তি প্রদর্শনীর জানান দিতে চায়। সে কারণে এই বিভাগীয় মহাসমাবেশে জামায়াতসহ তাদের শরীক দলগুলোর কোনো সহযোগিতাও নেবে না দলটি বলে জানিয়েছেন দলটির স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশকে সামনে রেখে প্রতিদিনই থাকছে ছোট-বড় নানা কর্মসূচি। কিছুদিন পরপরই কেন্দ্রীয় নেতারাও আসছেন রাজশাহীতে। লক্ষ্য বিভাগীয় মহাসমাবেশে বিপুল জনসমাগম করা। বিএনপি নেতাদের আশঙ্কা, মহাসমাবেশের শেষ দিকে এসে প্রতিবন্ধকতা বাড়তে পারে। তাই আঞ্চলিকভাবে শক্তি ও সামর্থ্য বেশি- এমন বিবেচনায় ঢাকার ঠিক আগের মহাসমাবেশটিই রাজশাহীতে করার কৌশল নিয়েছেন তারা।
বিভাগীয় সমাবেশের সমন্বয়কারী শাহীন শওকত বলেন, ‘এটি বিএনপির সমাবেশ। এ অঞ্চলে বিএনপি অনেক বেশি শক্তিশালী। জনসমর্থন, কর্মী-সব কিছু মিলে বিএনপির অন্য কোনো দলের প্রয়োজন নেই। তারা এই সমাবেশে জামায়াতের কোনো সহযোগিতা নিচ্ছে না।’
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘ঢাকার সমাবেশের আগে সরকার কঠোর অবস্থানে যেতে পারে। আরও কঠোর হয়ে নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও নির্যাতনের কৌশল নিতে পারে। এ কারণেই শক্তি-সামর্থ্যরে বিচারে রাজশাহীতে তারা অনেক বেশি শক্তিশালী। এ কারণে ঢাকার আগের সমাবেশটি তারা এখানে করছেন। তবে দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী হলেও এই মহাসমাবেশে জামায়াতের কোনো সহযোগিতাও না নেওয়ার কথা জানান বিএনপি নেতারা।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘তারা জামায়াত বা জোটের শরীক দলগুলোর কোনো সহযোগিতা নিচ্ছেন না। তাদের দাওয়াতও দিচ্ছেন না। তবে উন্মুক্ত সমাবেশ। এখানে যে কেউ আসতে পারেন। আগের সবকটি ছাড়িয়ে বৃহৎ মহাসমাবেশ হবে রাজশাহীতে। ’
তিনি আরো বলেন, ‘এ অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির পক্ষে। সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। এ কারণে মানুষ এই সমাবেশে উপচে পড়বে। সরকার চাইলেও আটকে রাখতে পারবে না।’
এদিকে, সমাবেশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতারা ইতি মধ্যে বেশ কয়েকবার   গণসমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এছাড়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনের নেতৃত্বে মাঠ পরিদর্শন করেন রাজশাহীর বিএনপি নেতারা।
এ সময় বিএনপি নেতা শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নির্দেশে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক সহযোগিতা এবং পরামর্শে এ সমাবেশ হতে যাচ্ছে। সমাবেশে সরকার পতনের ডাক দেওয়া হবে। তাই রাজশাহীর গণসমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী ও মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনসার আলী, জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু প্রমুখ।