ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা

রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে যোগ হলো আরো ১টি এসটিএস

ফাইল ছবি

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে নগরীতে আরো ১টি সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) চালু করা হয়েছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে বহরমপুর রেল ক্রসিং সংলগ্ন ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আধুনিক এসটিএস এর সংখ্যা হলো ৯টি। আধুনিক এসটিএস এর কারণে বাইরে খোলা স্থানে বর্জ্য থাকবে না। ফলে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আরো উন্নয়ন সাধিত হবে। ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা।

উদ্বোধনকালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি, প্যানেল মেয়র-১ ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য, আধুনিক, উন্নত, স্বাস্থ্যসম্মত, পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে বর্তমান পরিষদ নিরসলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বদলে গেছে রাজশাহী। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে আরো ১টি এসটিএস এর উদ্বোধন করা হলো। এটি নির্মাণে অত্রএলাকার পরিবেশ উন্নয়নসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে অত্র এলাকায় খোলা স্থানে বর্জ্য থাকবে না। প্রতিদিনের বর্জ্য এসটিএস‘এ এসে জড়ো হবে। সেখান থেকে ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি দূষণমুক্ত হচ্ছে শহর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কামরুজ্জামান কামরু, সদস্য ও ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন, জোন কাউন্সিলর আয়েশা খাতুন, সচিব মোঃ মশিউর রহমান, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুদ্দিন হায়দার, সহকারী প্রকৌশলী তানজির রহমান বন্ধন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রভাত কৃষ্ণ সরকার, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) সাজ্জাদ আলী, ত্রাণ ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন মুন, ইভেন্ট ম্যাজেনমেন্ট ও ট্যুরিজম শাখার ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন আদনান, কার্যসহকারী আলমগীর আলী প্রমুখ। উদ্বোধনের পর দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নগর ভবন মসজিদের ইমাম আবুল খায়ের। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রাসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা

রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে যোগ হলো আরো ১টি এসটিএস

আপডেট সময় ০৫:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে নগরীতে আরো ১টি সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) চালু করা হয়েছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে বহরমপুর রেল ক্রসিং সংলগ্ন ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আধুনিক এসটিএস এর সংখ্যা হলো ৯টি। আধুনিক এসটিএস এর কারণে বাইরে খোলা স্থানে বর্জ্য থাকবে না। ফলে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আরো উন্নয়ন সাধিত হবে। ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত ঐতিহ্য চত্বর এসটিএস নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা।

উদ্বোধনকালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি, প্যানেল মেয়র-১ ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য, আধুনিক, উন্নত, স্বাস্থ্যসম্মত, পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে বর্তমান পরিষদ নিরসলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বদলে গেছে রাজশাহী। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে আরো ১টি এসটিএস এর উদ্বোধন করা হলো। এটি নির্মাণে অত্রএলাকার পরিবেশ উন্নয়নসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে অত্র এলাকায় খোলা স্থানে বর্জ্য থাকবে না। প্রতিদিনের বর্জ্য এসটিএস‘এ এসে জড়ো হবে। সেখান থেকে ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি দূষণমুক্ত হচ্ছে শহর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কামরুজ্জামান কামরু, সদস্য ও ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন, জোন কাউন্সিলর আয়েশা খাতুন, সচিব মোঃ মশিউর রহমান, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুদ্দিন হায়দার, সহকারী প্রকৌশলী তানজির রহমান বন্ধন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রভাত কৃষ্ণ সরকার, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) সাজ্জাদ আলী, ত্রাণ ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন মুন, ইভেন্ট ম্যাজেনমেন্ট ও ট্যুরিজম শাখার ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন আদনান, কার্যসহকারী আলমগীর আলী প্রমুখ। উদ্বোধনের পর দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নগর ভবন মসজিদের ইমাম আবুল খায়ের। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রাসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু।