ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

রাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রত্যেকটি লড়াই-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ ঃ খায়রুজ্জামান লিটন

ফাইল ছবি।

উৎসব মুখর পরিবেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১৭টি হলের সম্মিলিত হল সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলা মাঠে আয়োজিত হল সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের তথা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন এই স্বাধীনতায় পূর্ব পাকিস্তানের কোন লাভ হবে না। ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগ সৃষ্টি করেন। পূর্ব পাকিস্তানের প্রত্যেকটি লড়াই, আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ। যে ছাত্রলীগের ইতিহাস জানে, সে বাংলাদেশের ইতিহাস জানে। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ভ্যানগার্ডের কাজ করেছে ছাত্রলীগ। ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে, ছাত্রলীগকে নিয়ে নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এ সকল ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আজীবন লড়াকু ও আপোসহীন। জীবনের প্রায় ১৩টি বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি, মৃত্যুর মুখেও কখনো আপোস করেননি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক, তিনি দেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নেত্রী হিসেবে থাকবেন। শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ছাত্রলীগকে হতে হবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আপনজন। হলে সিট না থাকলে সিটের ব্যবস্থা করবে, খাবার না থাকলে খাবার ব্যবস্থা করবে, বই না থাকলে বইয়ের ব্যবস্থা করবে, সব সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে ছাত্রলীগ-এটিই আমরা প্রত্যাশা করি।
রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ব্যাপক দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলেই দেখা যায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, যমুনা সেতুর রেল সংযোগ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণসহ নানা উন্নয়ন। দেশের উন্নয়নের সাথে রাজশাহীর ব্যাপক উন্নয়ন করা হচ্ছে। রাজশাহীতে প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই সড়কে লাগানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সড়কবাতি। ইতোমধ্যে দুইটি সড়কে লাগানো হয়েছে। তালাইমারি থেকে আলুপট্টি সড়কে অত্যাধুনিক দৃষ্টিনন্দন সড়কবাতি লাগানোর কাজ চলছে, যা শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার মতো ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি করি না। আমরা ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন করি, আবার সেই কাজ বাস্তবায়ন করেও দেখাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আগামীতেও ক্ষমতায় থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ আগামী আরো কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশকে আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আমরা ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা।
সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া। রাবির শাহ্ মখদুম হল ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ বিন জহিরে সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলী কামাল। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু।
সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খালিদ হাসান নয়ন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল বারী, সহ-সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম, সহ-সম্পাদক প্রদীপ কুমার সাহা পিংকু, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস ও সহ-সম্পাদক আফি আজাদ বান্টি।
এরআগে জাতীয় ও ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের শুরু হয়। সম্মেলনের শুরুতে প্রধান অতিথি সহ সকল অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। সম্মেলনে শোক প্রস্তাব পাঠ শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ এবং ছাত্রলীগের শহীদ ও প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

রাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রত্যেকটি লড়াই-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ ঃ খায়রুজ্জামান লিটন

আপডেট সময় ০৮:৪৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

উৎসব মুখর পরিবেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১৭টি হলের সম্মিলিত হল সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলা মাঠে আয়োজিত হল সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের তথা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন এই স্বাধীনতায় পূর্ব পাকিস্তানের কোন লাভ হবে না। ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগ সৃষ্টি করেন। পূর্ব পাকিস্তানের প্রত্যেকটি লড়াই, আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ। যে ছাত্রলীগের ইতিহাস জানে, সে বাংলাদেশের ইতিহাস জানে। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ভ্যানগার্ডের কাজ করেছে ছাত্রলীগ। ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে, ছাত্রলীগকে নিয়ে নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এ সকল ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আজীবন লড়াকু ও আপোসহীন। জীবনের প্রায় ১৩টি বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি, মৃত্যুর মুখেও কখনো আপোস করেননি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক, তিনি দেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নেত্রী হিসেবে থাকবেন। শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ছাত্রলীগকে হতে হবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আপনজন। হলে সিট না থাকলে সিটের ব্যবস্থা করবে, খাবার না থাকলে খাবার ব্যবস্থা করবে, বই না থাকলে বইয়ের ব্যবস্থা করবে, সব সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে ছাত্রলীগ-এটিই আমরা প্রত্যাশা করি।
রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ব্যাপক দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলেই দেখা যায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, যমুনা সেতুর রেল সংযোগ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণসহ নানা উন্নয়ন। দেশের উন্নয়নের সাথে রাজশাহীর ব্যাপক উন্নয়ন করা হচ্ছে। রাজশাহীতে প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই সড়কে লাগানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সড়কবাতি। ইতোমধ্যে দুইটি সড়কে লাগানো হয়েছে। তালাইমারি থেকে আলুপট্টি সড়কে অত্যাধুনিক দৃষ্টিনন্দন সড়কবাতি লাগানোর কাজ চলছে, যা শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার মতো ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি করি না। আমরা ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন করি, আবার সেই কাজ বাস্তবায়ন করেও দেখাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আগামীতেও ক্ষমতায় থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ আগামী আরো কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশকে আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আমরা ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা।
সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া। রাবির শাহ্ মখদুম হল ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ বিন জহিরে সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলী কামাল। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু।
সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খালিদ হাসান নয়ন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল বারী, সহ-সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম, সহ-সম্পাদক প্রদীপ কুমার সাহা পিংকু, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস ও সহ-সম্পাদক আফি আজাদ বান্টি।
এরআগে জাতীয় ও ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের শুরু হয়। সম্মেলনের শুরুতে প্রধান অতিথি সহ সকল অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। সম্মেলনে শোক প্রস্তাব পাঠ শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ এবং ছাত্রলীগের শহীদ ও প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।