ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী মহানগরীতে নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী উদ্ধার; গ্রেফতার ২

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পৌনে চার লক্ষ টাকা মূল্যের নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী ও প্রসাধনী তৈরির সামগ্রীসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন মো: আবু ইউসুফ (৩৮) ও মো: আবুল কাসেম জুলহাস (৫৭)। ইউসুফ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার চক আলমপুরের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়ায় বসবাস করে ও অপর আসামি মো: আবুল কাসেম টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার চর মহাইল গ্রামের মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে। সে বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার চন্ডিপুরে বসবাস করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ শাহমখদুম বিভাগের  উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ নূর আলম সিদ্দিকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এ.এইচ.এম আসাদ হোসেনের দিকনির্দেশনায় সহকারী পুলিশ কমিশনার শারমিন আকতার চুমকির নেতৃত্বে শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইসমাইল হোসেন, এসআই এসআই মো: নাসির উদ্দিন ও তাঁর টিম শাহমখদুম থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করছিলো। এসময় তাঁরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন শাহমখদুম থানার রোড নওদাপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করে আসছে এবং অনুমোদন বিহীনভাবে আজও ভেজাল প্রসাধনী তৈরি করছে।

উক্ত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে শাহমখদুম থানা পুলিশের ঐ টিম সকাল পৌনে ১১ টায় শাহমখদুম থানার রোড নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: আবু ইউসুফ ও মো: আবুল কাসেম জুলহাসকে গ্রেফতার করে। এসময় সেখান থেকে পৌনে চার লক্ষ টাকার নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী ও প্রসাধনী তৈরির সামগ্রী উদ্ধার হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানায়, তারা বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির স্টিকার বা মোড়ক ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী বাজারজাত করার জন্য মজুত করে। আসামি মো: আবু ইউসুফ নিজেকে মালিক এবং আসামি মো: আবুল কাসেম নিজেকে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে বলে জানায়।

গ্রেফাতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে – ডেপুটি স্পীকার

রাজশাহী মহানগরীতে নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী উদ্ধার; গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০৬:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পৌনে চার লক্ষ টাকা মূল্যের নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী ও প্রসাধনী তৈরির সামগ্রীসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আরএমপি’র শাহমখদুম থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন মো: আবু ইউসুফ (৩৮) ও মো: আবুল কাসেম জুলহাস (৫৭)। ইউসুফ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার চক আলমপুরের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়ায় বসবাস করে ও অপর আসামি মো: আবুল কাসেম টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার চর মহাইল গ্রামের মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে। সে বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার চন্ডিপুরে বসবাস করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ শাহমখদুম বিভাগের  উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ নূর আলম সিদ্দিকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এ.এইচ.এম আসাদ হোসেনের দিকনির্দেশনায় সহকারী পুলিশ কমিশনার শারমিন আকতার চুমকির নেতৃত্বে শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইসমাইল হোসেন, এসআই এসআই মো: নাসির উদ্দিন ও তাঁর টিম শাহমখদুম থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করছিলো। এসময় তাঁরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন শাহমখদুম থানার রোড নওদাপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করে আসছে এবং অনুমোদন বিহীনভাবে আজও ভেজাল প্রসাধনী তৈরি করছে।

উক্ত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে শাহমখদুম থানা পুলিশের ঐ টিম সকাল পৌনে ১১ টায় শাহমখদুম থানার রোড নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: আবু ইউসুফ ও মো: আবুল কাসেম জুলহাসকে গ্রেফতার করে। এসময় সেখান থেকে পৌনে চার লক্ষ টাকার নামিদামি ব্যান্ডের নকল প্রসাধনী ও প্রসাধনী তৈরির সামগ্রী উদ্ধার হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানায়, তারা বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির স্টিকার বা মোড়ক ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী বাজারজাত করার জন্য মজুত করে। আসামি মো: আবু ইউসুফ নিজেকে মালিক এবং আসামি মো: আবুল কাসেম নিজেকে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে বলে জানায়।

গ্রেফাতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।