ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু আজ

নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব (বালিকা) অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আজ থেকে শুরু হয়েছে।

শনিবার সকালে বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) টুর্নামেন্টটির (বালক ও বালিকা উভয় পর্যায়ের) ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার পড়াশুনার পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা করার উৎসাহ দিয়ে বলেন, খেলাধুলা ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করে। পড়াশুনার পাশাপাশি তাই নিয়মিত খেলাধুলা করলে শরীর ও মন- দুটোই ভালো থাকে। খেলাধুলা যেমন একদিকে তরুণদের খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে, তেমনি নতুন কিছু করতে উদ্যম জোগায়।

বঙ্গবন্ধু খেলাধুলা করতে পছন্দ করতেন উল্লেখ করে হুমায়ূন কবীর বলেন, বঙ্গবন্ধুর খেলাধুলার প্রতি ছিল অপরিসীম ঝোঁক। তিনি নিজে ফুটবল, ভলিবল, হা-ডু-ডু খেলতেন। তিনি টুঙ্গিপাড়ায় ভালো হা-ডু-ডু খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি ছিলেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। ওই স্কুলের হয়ে বাবা লুৎফর রহমানের অফিসার্স ক্লাবের বিপক্ষে খেলেছেন।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার তরুণদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন গঠনের পরামর্শ দেন।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনিসুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) ড. মোঃ মোকছেদ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা, জেলা ক্রীড়া শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন।
উদ্বোধনী দিনে আজ সকালে দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বালক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে রাজশাহী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মোকাবিলা করে এবং শারীরিক শিক্ষা কলেজে অনুষ্ঠিত বালিকা পর্যায়ের খেলায় রাজশাহী জেলা নাটোর জেলার মোকাবিলা করে।

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

রাজশাহীতে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু আজ

আপডেট সময় ০৫:১৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৩

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব (বালিকা) অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আজ থেকে শুরু হয়েছে।

শনিবার সকালে বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) টুর্নামেন্টটির (বালক ও বালিকা উভয় পর্যায়ের) ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার পড়াশুনার পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা করার উৎসাহ দিয়ে বলেন, খেলাধুলা ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করে। পড়াশুনার পাশাপাশি তাই নিয়মিত খেলাধুলা করলে শরীর ও মন- দুটোই ভালো থাকে। খেলাধুলা যেমন একদিকে তরুণদের খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে, তেমনি নতুন কিছু করতে উদ্যম জোগায়।

বঙ্গবন্ধু খেলাধুলা করতে পছন্দ করতেন উল্লেখ করে হুমায়ূন কবীর বলেন, বঙ্গবন্ধুর খেলাধুলার প্রতি ছিল অপরিসীম ঝোঁক। তিনি নিজে ফুটবল, ভলিবল, হা-ডু-ডু খেলতেন। তিনি টুঙ্গিপাড়ায় ভালো হা-ডু-ডু খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি ছিলেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। ওই স্কুলের হয়ে বাবা লুৎফর রহমানের অফিসার্স ক্লাবের বিপক্ষে খেলেছেন।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার তরুণদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন গঠনের পরামর্শ দেন।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনিসুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) ড. মোঃ মোকছেদ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা, জেলা ক্রীড়া শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন।
উদ্বোধনী দিনে আজ সকালে দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বালক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে রাজশাহী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মোকাবিলা করে এবং শারীরিক শিক্ষা কলেজে অনুষ্ঠিত বালিকা পর্যায়ের খেলায় রাজশাহী জেলা নাটোর জেলার মোকাবিলা করে।