ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যেসব মন্ত্রণালয় নিজের হাতে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদেরও শপথ

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এরপর দফতর বণ্টন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ টি মন্ত্রণালয় ও দুটি বিভাগের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এদিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদেরও শপথ পাঠ করানো হয়। পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মাঝে দফতর বণ্টন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে মন্ত্রণালয়গুলো নিজের হাতে রেখেছেন সেগুলো হলো- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ তার হাতে থাকবে।

এর আগে বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

গত রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুল আলম ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে শেখ হাসিনা পান ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির এম নিজাম উদ্দিন লস্কর পান ৪৬৯ ভোট। এদিন সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা ১০৮টি কেন্দ্রে ভোট দেন। এ আসনের মোট ভোটার ২ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ জন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে এ আসনে থেকে যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সাল থেকে টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনে নির্বাচন করে শেখ হাসিনা এর আগে সাতবার সংসদ সদস্য নিরর্বাচিত হন।

গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পায় আওয়ামী লীগ। এছাড়া স্বতন্ত্রদের মধ্যে বিজয়ী হন ৬২ জন, যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। আর জাতীয় পার্টি জয় পেয়েছে ১১টি আসনে। দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটিতে জয় পেয়েছে কল্যাণ পার্টি। একটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

গত ৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট প্রকাশের পরদিন ১০ জানুয়ারি (বুধবার) শপথ নেন নবনির্বাচিত এমপিরা। আর এমপিদের শপথ গ্রহণের একদিন পর বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

যেসব মন্ত্রণালয় নিজের হাতে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ০৭:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এরপর দফতর বণ্টন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ টি মন্ত্রণালয় ও দুটি বিভাগের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এদিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদেরও শপথ পাঠ করানো হয়। পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মাঝে দফতর বণ্টন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে মন্ত্রণালয়গুলো নিজের হাতে রেখেছেন সেগুলো হলো- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ তার হাতে থাকবে।

এর আগে বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

গত রোববার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুল আলম ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে শেখ হাসিনা পান ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির এম নিজাম উদ্দিন লস্কর পান ৪৬৯ ভোট। এদিন সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা ১০৮টি কেন্দ্রে ভোট দেন। এ আসনের মোট ভোটার ২ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ জন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে এ আসনে থেকে যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সাল থেকে টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনে নির্বাচন করে শেখ হাসিনা এর আগে সাতবার সংসদ সদস্য নিরর্বাচিত হন।

গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পায় আওয়ামী লীগ। এছাড়া স্বতন্ত্রদের মধ্যে বিজয়ী হন ৬২ জন, যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। আর জাতীয় পার্টি জয় পেয়েছে ১১টি আসনে। দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটিতে জয় পেয়েছে কল্যাণ পার্টি। একটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

গত ৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট প্রকাশের পরদিন ১০ জানুয়ারি (বুধবার) শপথ নেন নবনির্বাচিত এমপিরা। আর এমপিদের শপথ গ্রহণের একদিন পর বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।