ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাগমারায় কামারপল্লিতে ব্যস্ত কামারেরা

ফাইল ছবি।

আসন্ন কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ,রাজশাহীর বাগমারায় বিভিন্ন হাট বাজারের ও কামারপল্লিতে ব্যস্ততা বেড়েছে কারিগরদের। সকাল থেকে গভীর রাত  পর্যন্ত কামারপল্লির টুং টাং শব্দ জানান দিচ্ছে কুরবানির বার্তা। পশু জবাই করা, চামড়া ছড়ানো ও মাংস কাটার জন্য প্রয়োজন পড়ে চাকু, চাপাতি, বটি, দা সহ বিভিন্ন উপকরনাদির। আষরা
সরেজমিন উপজেলার ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর, মচমইল, হাটগাঙ্গোপাড়া, মোহনগঞ্জ সহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখানকার কামারপল্লিতে কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা লোহা গলিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ব্যবহার উপযোগি বিভিন্ন হাতিয়ার তৈরি করছেন। কেউবা পশু জবাইয়ের ছুরি তৈরি করছেন, কেউবা পুরাতন ছুরি, বটিতে শান দিচ্ছেন।
আবার কেউ আসছেন নতুন কাজের অর্ডার নিয়ে। ভবানীগঞ্জ হাটের কামার জাহিদুল জানান, কাঁচা লোহা, পাকা লোহা প্রত্যেকটির দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। তাই প্রতিটি লোহার হাতিয়ারের দাম বেড়েছে।
বেলাল হোসেন নামে অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য জানান, এক কেজি ইম্পাত কিনে গত সপ্তাহে একটি চাপাতি বানাতে দিয়েছিলাম। আজ সেটি নিতে এসেছি। গত বছরের চেয়ে এবার দাম ও মজুরী একটু বেড়েছে। ইদ্রিস নামে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক জানান, বাড়িতে কুরবানীর সব ধরনের হাতিয়ার রয়েছে। এখন সেগুলো শান দিতে নিয়ে এসেছেন।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

বাগমারায় কামারপল্লিতে ব্যস্ত কামারেরা

আপডেট সময় ০৫:২৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২
আসন্ন কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ,রাজশাহীর বাগমারায় বিভিন্ন হাট বাজারের ও কামারপল্লিতে ব্যস্ততা বেড়েছে কারিগরদের। সকাল থেকে গভীর রাত  পর্যন্ত কামারপল্লির টুং টাং শব্দ জানান দিচ্ছে কুরবানির বার্তা। পশু জবাই করা, চামড়া ছড়ানো ও মাংস কাটার জন্য প্রয়োজন পড়ে চাকু, চাপাতি, বটি, দা সহ বিভিন্ন উপকরনাদির। আষরা
সরেজমিন উপজেলার ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর, মচমইল, হাটগাঙ্গোপাড়া, মোহনগঞ্জ সহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখানকার কামারপল্লিতে কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা লোহা গলিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ব্যবহার উপযোগি বিভিন্ন হাতিয়ার তৈরি করছেন। কেউবা পশু জবাইয়ের ছুরি তৈরি করছেন, কেউবা পুরাতন ছুরি, বটিতে শান দিচ্ছেন।
আবার কেউ আসছেন নতুন কাজের অর্ডার নিয়ে। ভবানীগঞ্জ হাটের কামার জাহিদুল জানান, কাঁচা লোহা, পাকা লোহা প্রত্যেকটির দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। তাই প্রতিটি লোহার হাতিয়ারের দাম বেড়েছে।
বেলাল হোসেন নামে অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য জানান, এক কেজি ইম্পাত কিনে গত সপ্তাহে একটি চাপাতি বানাতে দিয়েছিলাম। আজ সেটি নিতে এসেছি। গত বছরের চেয়ে এবার দাম ও মজুরী একটু বেড়েছে। ইদ্রিস নামে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক জানান, বাড়িতে কুরবানীর সব ধরনের হাতিয়ার রয়েছে। এখন সেগুলো শান দিতে নিয়ে এসেছেন।