ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নাব্য সংকটের পাশাপাশি বিশালতা হারাচ্ছে রাজশাহীর পদ্মা

ফাইল ছবি।

রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হলেও উজান থেকে ধেয়ে আসা পানিতে ফুলতে শুরু করেছে পদ্মা। নদীতে স্রোত না থাকায় পদ্মা হারাচ্ছে নাব্য।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় পদ্মায় ১৬.৭২ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এক সপ্তাহ আগে ২৫ আগস্ট যা ছিল ১৫.৮৬ মিটার। গত বছরের এ সময়ে পদ্মা নদীতে পানি প্রবাহিত হয়েছিল ১৬.৯১ মিটার। পদ্মা নদীর পানি ১৮.৫০ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে তা বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়।
তিনি আরও জানান, উজানের দিকে বৃষ্টিপাত হয়েছে। যে কারণে পদ্মা নদীতে পানি বাড়ছে। বাকুরা, বিহার ও মালদা এলাকায় বৃষ্টিপাত বেশি হলে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ভারতের পানির ঢল রাজশাহীর পদ্মায় আসতে প্রায় তিনদিন সময় লাগে। ভারতের গঙ্গা ও চাঁপাইনবাগঞ্জের মহানন্দা থেকে প্রবাহিত পদ্মা নদী গোয়ালন্দ হয়ে সমুদ্রে মিশে যায়।
সরেজমিনে পদ্মা নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মায় পানি বাড়লেও উজানের সেই পানি নদীর বুকে জেগে ওঠা চড়গুলো এখনো ডুবিয়ে দিতে সক্ষম হয়নি। চরের বুকে গজানো কাশবন এখন হাটু পানিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
পদ্মা নদী সংলগ্ন তালাইমারি এলাকার বাসিন্দা রাফিউল হক জানান, নদীতে স্রোত না থাকায় পলিমাটি সরতে পারছে না। বছরের পর বছর নদীর বুকে পলি জমে শক্ত মাটিতে রূপ নিয়েছে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চরগুলো আরও বিশাল হচ্ছে। এতে করে নদীর নাব্য সংকটের পাশাপাশি বিশালতা হারাচ্ছে পদ্মা।
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় রাসিক মেয়র ‘বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার বীজ বোপন করেছিলেন’

নাব্য সংকটের পাশাপাশি বিশালতা হারাচ্ছে রাজশাহীর পদ্মা

আপডেট সময় ০৫:১৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হলেও উজান থেকে ধেয়ে আসা পানিতে ফুলতে শুরু করেছে পদ্মা। নদীতে স্রোত না থাকায় পদ্মা হারাচ্ছে নাব্য।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় পদ্মায় ১৬.৭২ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এক সপ্তাহ আগে ২৫ আগস্ট যা ছিল ১৫.৮৬ মিটার। গত বছরের এ সময়ে পদ্মা নদীতে পানি প্রবাহিত হয়েছিল ১৬.৯১ মিটার। পদ্মা নদীর পানি ১৮.৫০ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে তা বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়।
তিনি আরও জানান, উজানের দিকে বৃষ্টিপাত হয়েছে। যে কারণে পদ্মা নদীতে পানি বাড়ছে। বাকুরা, বিহার ও মালদা এলাকায় বৃষ্টিপাত বেশি হলে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ভারতের পানির ঢল রাজশাহীর পদ্মায় আসতে প্রায় তিনদিন সময় লাগে। ভারতের গঙ্গা ও চাঁপাইনবাগঞ্জের মহানন্দা থেকে প্রবাহিত পদ্মা নদী গোয়ালন্দ হয়ে সমুদ্রে মিশে যায়।
সরেজমিনে পদ্মা নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মায় পানি বাড়লেও উজানের সেই পানি নদীর বুকে জেগে ওঠা চড়গুলো এখনো ডুবিয়ে দিতে সক্ষম হয়নি। চরের বুকে গজানো কাশবন এখন হাটু পানিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
পদ্মা নদী সংলগ্ন তালাইমারি এলাকার বাসিন্দা রাফিউল হক জানান, নদীতে স্রোত না থাকায় পলিমাটি সরতে পারছে না। বছরের পর বছর নদীর বুকে পলি জমে শক্ত মাটিতে রূপ নিয়েছে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চরগুলো আরও বিশাল হচ্ছে। এতে করে নদীর নাব্য সংকটের পাশাপাশি বিশালতা হারাচ্ছে পদ্মা।