ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছিনতাই কারির ছুরিকাঘাতে আহত মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিয়ে বাঁচালেন, এসআই মোঃ মোশারফ হোসেন।

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন, ১২/০৮/২০২৩ ইং তারিখ শনিবার রাতে কিলো-৩ টহল ডিউটিরত অবস্থায়, রাত ১১-৩০ মিনিটের সময়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পান, একজন নারী ছিন্তাই কারির ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে আছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে, সঙ্গীয় ফোর্সসহ কোনাবাড়ী ক্লিনিকে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রোগীর পরিবার ও স্বজনদের কাউকে না পেয়ে, রোগীকে বাঁচাতে দ্রুত এম্বুলেন্স ভাড়া করে সঙ্গীয় ফোর্সসহ রোগীকে নিয়ে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে জান এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন ।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় বিষয়টি, কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করে, ১৩/০৮/২০২৩ ইং তারিখ রাত ০১:২০ মিনিটের সময় সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স যোগে রওনা দিয়ে রাত ০৩.৩০ মিনিটের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পৌঁছায়। জরুরী বিভাগে তাকে দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান রোগীকে অপারেশন করতে হবে, প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে দ্রুত রক্ত লাগবে। দ্রুত কোথাও রক্ত না পেয়ে, রোগীর রক্তের গ্রুপ এবং এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন এর রক্তের গ্রুপ মিলে যাওয়ায় রোগীর সকল বিষয় সম্পর্কে,কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করে, তাত্ক্ষণিকভাবে রক্ত দিয়ে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে সহযোগিতা করেন।

রোগীর পরিবারের কোনো সদস্য এবং আত্মী স্বজন না থাকায় তাহার চিকিৎসার খরচো তিনি বহন করেন। অপারেশন শেষে রোগীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নত হলে। সংবাদ পেয়ে রোগীর ছেলে সাকিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসে।

পরে তার দেয়া তথ্য মতে জানা যায়, রোগীর নাম মোছাঃ শিউলি (৪৯) স্বামী আব্দুল গফুর সাং-বয়রা (বামনজানি বাজার), থানা সরিষাবাড়ী জামালপুর, বর্তমানে -মৌচাক কামরাঙ্গাচালা (রনির বাসার ভাড়াটিয়া), থানা- কালিয়াকৈর জেলা গাজীপুর। পরে রোগীকে তার ছেলে সাকিল এর নিকট বুঝিয়ে দিয়ে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সকল বিষয় অবহিত করে সকালে থানায় ফিরে আসেন এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন।

বর্তমানে রোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি আছেন। রোগীর পরিবার এবং আত্মীয় স্বজন এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগযোগের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া অব্যাহত রেখেছেন এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন।

একজন ডিউটিরত পুলিশের এসআইয়ের এমন কর্মকান্ড এলাকায় ব্যপক সুনাম কুরিয়েছে, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মুখে যেন একটি নাম, এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন, সুধু একজন পুলিশ নয়, তিনি সত্যিই একজন জনবান্ধব পুলিশ।

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

ছিনতাই কারির ছুরিকাঘাতে আহত মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিয়ে বাঁচালেন, এসআই মোঃ মোশারফ হোসেন।

আপডেট সময় ১০:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন, ১২/০৮/২০২৩ ইং তারিখ শনিবার রাতে কিলো-৩ টহল ডিউটিরত অবস্থায়, রাত ১১-৩০ মিনিটের সময়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পান, একজন নারী ছিন্তাই কারির ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে আছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে, সঙ্গীয় ফোর্সসহ কোনাবাড়ী ক্লিনিকে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রোগীর পরিবার ও স্বজনদের কাউকে না পেয়ে, রোগীকে বাঁচাতে দ্রুত এম্বুলেন্স ভাড়া করে সঙ্গীয় ফোর্সসহ রোগীকে নিয়ে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে জান এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন ।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় বিষয়টি, কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করে, ১৩/০৮/২০২৩ ইং তারিখ রাত ০১:২০ মিনিটের সময় সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স যোগে রওনা দিয়ে রাত ০৩.৩০ মিনিটের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পৌঁছায়। জরুরী বিভাগে তাকে দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান রোগীকে অপারেশন করতে হবে, প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে দ্রুত রক্ত লাগবে। দ্রুত কোথাও রক্ত না পেয়ে, রোগীর রক্তের গ্রুপ এবং এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন এর রক্তের গ্রুপ মিলে যাওয়ায় রোগীর সকল বিষয় সম্পর্কে,কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করে, তাত্ক্ষণিকভাবে রক্ত দিয়ে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে সহযোগিতা করেন।

রোগীর পরিবারের কোনো সদস্য এবং আত্মী স্বজন না থাকায় তাহার চিকিৎসার খরচো তিনি বহন করেন। অপারেশন শেষে রোগীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নত হলে। সংবাদ পেয়ে রোগীর ছেলে সাকিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসে।

পরে তার দেয়া তথ্য মতে জানা যায়, রোগীর নাম মোছাঃ শিউলি (৪৯) স্বামী আব্দুল গফুর সাং-বয়রা (বামনজানি বাজার), থানা সরিষাবাড়ী জামালপুর, বর্তমানে -মৌচাক কামরাঙ্গাচালা (রনির বাসার ভাড়াটিয়া), থানা- কালিয়াকৈর জেলা গাজীপুর। পরে রোগীকে তার ছেলে সাকিল এর নিকট বুঝিয়ে দিয়ে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সকল বিষয় অবহিত করে সকালে থানায় ফিরে আসেন এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন।

বর্তমানে রোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি আছেন। রোগীর পরিবার এবং আত্মীয় স্বজন এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগযোগের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া অব্যাহত রেখেছেন এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন।

একজন ডিউটিরত পুলিশের এসআইয়ের এমন কর্মকান্ড এলাকায় ব্যপক সুনাম কুরিয়েছে, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মুখে যেন একটি নাম, এসআই মোঃ মোশাররফ হোসেন, সুধু একজন পুলিশ নয়, তিনি সত্যিই একজন জনবান্ধব পুলিশ।