ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কেএমপি’তে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণ 

আজ ১৯ আগস্ট ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ, ০৪ ভাদ্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনার উদ্যোগে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন কেএমপির মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক, বিপিএম (বার), পিপিএম-সেবা মহোদয়।
বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচীর আওতায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণের সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, “আগস্ট মাস শোকের মাস, এই মাসে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আপনারা জানেন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য ১৯৭৩ সালে গণভবনের পুকুরে প্রথমবারের মতো মৎস্য অবমুক্ত করেছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের মৎসের উন্নয়নের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের নীতি ছিল জাল যার জলা তার। এই নীতির মাধ্যমে তিনি জেলেদের পুনর্বাসন করা এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩০ লক্ষ শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ মৎস্য উন্নয়নে অভূতপূর্বক সাফল্য অর্জন করেছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সাধু পানির মাছ উৎপাদনে সারা বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে। এটি আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের। কেএমপির তিনটি জলাশয়ে আজকে মৎস্য অবমুক্ত করার মাধ্যমে আমরা সকলের উদ্দেশ্যে মেসেজ দিতে চাই যে, পুলিশ বিভাগে অব্যবহৃত, পতিত জলাশয়গুলো চাষের উপযোগী করে মাছ চাষের আওতাভূক্ত করে সারাবছর যাতে আমাদের পুলিশ বিভাগের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বেশিরভাগ সংখ্যক মৎস্যের যোগান দিতে পারি। সবশেষে তিনি সম্মানিত মৎস্য চাষী এবং পুকুরের মালিক উদ্দেশ্য আহ্বান করে বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে মাছ চাষ করি আমাদের দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ হই”।
এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব মোঃ সাজিদ হোসেন; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব মোঃ সাজিদ হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব বি.এম নুরুজ্জামান, বিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস অ্যান্ড সাপ্লাই) জনাব এম এম শাকিলুজ্জামান; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (এফএন্ডবি) জনাব শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ইএন্ডডি) জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম-সহ মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ ও  ফোর্স।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পিবিআই রাজশাহীতে মামলা তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

কেএমপি’তে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণ 

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০২৩
আজ ১৯ আগস্ট ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ, ০৪ ভাদ্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনার উদ্যোগে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন কেএমপির মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক, বিপিএম (বার), পিপিএম-সেবা মহোদয়।
বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচীর আওতায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণের সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, “আগস্ট মাস শোকের মাস, এই মাসে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আপনারা জানেন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য ১৯৭৩ সালে গণভবনের পুকুরে প্রথমবারের মতো মৎস্য অবমুক্ত করেছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের মৎসের উন্নয়নের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের নীতি ছিল জাল যার জলা তার। এই নীতির মাধ্যমে তিনি জেলেদের পুনর্বাসন করা এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩০ লক্ষ শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ মৎস্য উন্নয়নে অভূতপূর্বক সাফল্য অর্জন করেছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সাধু পানির মাছ উৎপাদনে সারা বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে। এটি আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের। কেএমপির তিনটি জলাশয়ে আজকে মৎস্য অবমুক্ত করার মাধ্যমে আমরা সকলের উদ্দেশ্যে মেসেজ দিতে চাই যে, পুলিশ বিভাগে অব্যবহৃত, পতিত জলাশয়গুলো চাষের উপযোগী করে মাছ চাষের আওতাভূক্ত করে সারাবছর যাতে আমাদের পুলিশ বিভাগের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বেশিরভাগ সংখ্যক মৎস্যের যোগান দিতে পারি। সবশেষে তিনি সম্মানিত মৎস্য চাষী এবং পুকুরের মালিক উদ্দেশ্য আহ্বান করে বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে মাছ চাষ করি আমাদের দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ হই”।
এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব মোঃ সাজিদ হোসেন; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব মোঃ সাজিদ হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব বি.এম নুরুজ্জামান, বিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস অ্যান্ড সাপ্লাই) জনাব এম এম শাকিলুজ্জামান; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (এফএন্ডবি) জনাব শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ইএন্ডডি) জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম-সহ মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ ও  ফোর্স।