ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত দুই হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে

কিশোরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করলেন: রাষ্ট্রপতি।

ফাইল ছবি

গত ৩০ মার্চ বুধবার বিকেলে কিশোরগঞ্জে   সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন মহিনন্দে  শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।  ফলক উন্মোচনে এ সময়  উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপিসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর রাষ্ট্রপতি একটি অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। প্রায় পাঁচ একর জমিতে ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সাততলা বিশিষ্ট শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার ভবনটি নির্মিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে।

রাষ্ট্রপতি ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচনের পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাংবাদিকদের জানান, কিশোরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত দুই হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন শুধু সনদমুখী না হয়ে দক্ষতামুখী হয়। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সবাইকে চাকরির পিছে না ছুটে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে অন্যকে চাকরি দানের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিবিআই রাজশাহীতে মামলা তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত দুই হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে

কিশোরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করলেন: রাষ্ট্রপতি।

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২
গত ৩০ মার্চ বুধবার বিকেলে কিশোরগঞ্জে   সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন মহিনন্দে  শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।  ফলক উন্মোচনে এ সময়  উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপিসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর রাষ্ট্রপতি একটি অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। প্রায় পাঁচ একর জমিতে ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সাততলা বিশিষ্ট শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার ভবনটি নির্মিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে।

রাষ্ট্রপতি ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচনের পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাংবাদিকদের জানান, কিশোরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রতি বছর অন্তত দুই হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন শুধু সনদমুখী না হয়ে দক্ষতামুখী হয়। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সবাইকে চাকরির পিছে না ছুটে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে অন্যকে চাকরি দানের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।