ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান আজও তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে তার ভক্তদের হৃদয়ে।

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস আজ।

ফাইল ছবি।

এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস আজ
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সুরের জাদুতে সংগীতপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ২০২০ সালের ৬ জুলাই লাখো ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। আজ (বুধবার) তার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, প্রেম-বিরহ সব অনুভূতির গানই এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে পেয়েছে অনন্য মাত্রা। তার শত শত কালজয়ী গান এখনো মানুষের মুখে মুখে। এরমধ্যে আমার সারা দেহ খেও গো মাটি, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস, এক জনমে ভালোবেসে ভরবে না মনসহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান আজও তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে তার ভক্তদের হৃদয়ে।

সত্তর দশকের শেষ দিকে প্লেব্যাকের জগতে পা রাখেন এ কিশোর। বাংলা ছায়াছবির গানসহ হিন্দি সিনেমায় গান গেয়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন এই নন্দিত সংগীত শিল্পী।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এন্ড্রু কিশোরকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ধরা পড়ে ক্যানসার। দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন এই কিংবদন্তী শিল্পী। চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি নিজের ইচ্ছায় দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমি আমার দেশে গিয়ে মরতে চাই, এখানে নয়।’ ১১ জুন বিকেলে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফেরেন তিনি।

২০ জুন তাকে নেয়া হয় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথানে বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায়। দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয় মেনে নিয়ে ৬ জুলাই সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। ১৫ জুলাই রাজশাহী সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় খ্রিষ্টানদের কবরস্থানে সমাহিত করা হয় এই শিল্পীকে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

১৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে আগের মতোই শ্রোতাদের মণিকোঠায় জীবন্ত হয়ে আছেন এন্ড্রু কিশোর। সংগীত ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ গায়ক বিভাগে আটটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ জিতেছেন প্রয়াত এই গায়ক। এছাড়া দুটি ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার’ ও তিনটি ‘বাচসাস’ পুরস্কার’সহ এন্ড্রু কিশোরের ঝুলিতে আছে অসংখ্য নামিদামি সম্মাননা। তার মৃত্যু বাংলা সংগীতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

জানা গেছে, এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তার জন্মস্থান রাজশাহীতে বুধবার স্মরণসভার আয়োজন করেছে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। এদিন বিকেল ৪টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট রাজশাহী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক আলোচনা সভা

অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান আজও তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে তার ভক্তদের হৃদয়ে।

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস আজ।

আপডেট সময় ০১:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২

এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস আজ
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সুরের জাদুতে সংগীতপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ২০২০ সালের ৬ জুলাই লাখো ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। আজ (বুধবার) তার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, প্রেম-বিরহ সব অনুভূতির গানই এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে পেয়েছে অনন্য মাত্রা। তার শত শত কালজয়ী গান এখনো মানুষের মুখে মুখে। এরমধ্যে আমার সারা দেহ খেও গো মাটি, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস, এক জনমে ভালোবেসে ভরবে না মনসহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান আজও তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে তার ভক্তদের হৃদয়ে।

সত্তর দশকের শেষ দিকে প্লেব্যাকের জগতে পা রাখেন এ কিশোর। বাংলা ছায়াছবির গানসহ হিন্দি সিনেমায় গান গেয়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন এই নন্দিত সংগীত শিল্পী।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এন্ড্রু কিশোরকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ধরা পড়ে ক্যানসার। দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন এই কিংবদন্তী শিল্পী। চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি নিজের ইচ্ছায় দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমি আমার দেশে গিয়ে মরতে চাই, এখানে নয়।’ ১১ জুন বিকেলে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফেরেন তিনি।

২০ জুন তাকে নেয়া হয় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথানে বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায়। দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয় মেনে নিয়ে ৬ জুলাই সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। ১৫ জুলাই রাজশাহী সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় খ্রিষ্টানদের কবরস্থানে সমাহিত করা হয় এই শিল্পীকে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

১৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে আগের মতোই শ্রোতাদের মণিকোঠায় জীবন্ত হয়ে আছেন এন্ড্রু কিশোর। সংগীত ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ গায়ক বিভাগে আটটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ জিতেছেন প্রয়াত এই গায়ক। এছাড়া দুটি ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার’ ও তিনটি ‘বাচসাস’ পুরস্কার’সহ এন্ড্রু কিশোরের ঝুলিতে আছে অসংখ্য নামিদামি সম্মাননা। তার মৃত্যু বাংলা সংগীতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

জানা গেছে, এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তার জন্মস্থান রাজশাহীতে বুধবার স্মরণসভার আয়োজন করেছে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। এদিন বিকেল ৪টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট রাজশাহী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।