ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আমান গ্রুপের তিন কর্ণধারের জামিন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত

নববানী নিউজ ডেস্ক

যমুনা ব্যাংকের প্রায় ৮৮ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির মামলায় আমান গ্রুপের তিন কর্ণধারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৯ মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও.এইচ.এম ইলিয়াছ হোসাইন তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, আমান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম এবং দুই পরিচালক শফিকুল ইসলাম ও তৌফিকুল ইসলাম। তারা সমপর্কে একে অপরের ভাই। গত ২৩ মে থেকে তারা কারাগারে রয়েছেন।

জামিন নাকচের বিষয়ে রাজশাহী মহানগর দায়রা ও জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুসাব্বিরুল ইসলাম জানান, তিনজনের জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। রোববার শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, যমুনা ব্যাংকের রাজশাহী শাখার প্রায় ৮৮ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৯ সালে আমান গ্রুপের তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে গত ২৩ মে (২০২২) তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিবিআই রাজশাহীতে মামলা তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

আমান গ্রুপের তিন কর্ণধারের জামিন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত

আপডেট সময় ০৭:৩২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০২২

যমুনা ব্যাংকের প্রায় ৮৮ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির মামলায় আমান গ্রুপের তিন কর্ণধারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৯ মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও.এইচ.এম ইলিয়াছ হোসাইন তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, আমান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম এবং দুই পরিচালক শফিকুল ইসলাম ও তৌফিকুল ইসলাম। তারা সমপর্কে একে অপরের ভাই। গত ২৩ মে থেকে তারা কারাগারে রয়েছেন।

জামিন নাকচের বিষয়ে রাজশাহী মহানগর দায়রা ও জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুসাব্বিরুল ইসলাম জানান, তিনজনের জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। রোববার শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, যমুনা ব্যাংকের রাজশাহী শাখার প্রায় ৮৮ কোটি টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৯ সালে আমান গ্রুপের তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে গত ২৩ মে (২০২২) তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠান।